চলতি মার্চে জ্বালানি তেল ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার। ফলে গত মাসে নির্ধারিত চার জ্বালানি তেলের দাম আগের মতোই থাকছে। গত মাসে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ১০৫ টাকা, পেট্রলের দাম লিটারপ্রতি ১২২ টাকা এবং অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ১২৬ টাকা ছিল। চলতি মাসের জন্য এ দাম বহাল রয়েছে।
গতকাল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মার্চের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যমান মূল্য কাঠামো অনুসারে লিটারপ্রতি ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ১০৫ টাকা রাখা হয়েছে। পেট্রলের দাম লিটারপ্রতি ১২২ টাকা ও অকটেনের দাম ১২৬ টাকা রাখা হয়েছে।
গত বছরের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ শুরু করে আওয়ামী লীগ সরকার। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতার গ্রহণের পর জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ পদ্ধতি বহাল রাখে। সেই থেকে প্রতি মাসে চার ধরনের জ্বালানি পণ্যের দাম নির্ধারণ অব্যাহত রয়েছে।
জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম নিয়মিত সমন্বয় করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের সূত্র নির্ধারণ করে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। এতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রল ব্যক্তিগত যানবাহনে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই বাস্তবতার নিরিখে বিলাসদ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সবসময় ডিজেলের চেয়ে অকটেন ও পেট্রলের দাম বেশি রাখা হয়।
দেশে জ্বালানি তেলের মধ্যে ডিজেলের ব্যবহার ৭৫ শতাংশ। তবে ডিজেলের লাভ-লোকসানের ওপর নির্ভর করে জ্বালানি তেলের ওঠানামা। অকটেন ও পেট্রল বিক্রি করে সবসময় মুনাফা করে সরকারি প্রতিষ্ঠান বিপিসি।